জুমু’আর খুতবা দেওয়ার সময় হাতে লাঠি হাতে রাখার বিধান কি

প্রশ্ন: জুমু’আর খুতবা দেওয়ার সময় হাতে লাঠি হাতে রাখার বিধান কি? অনেক মসজিদের ইমাম লাঠির উপর ভর দিয়ে জুমু’আর খুতবা দেন এটা কি সুন্নত বিস্তারিত জানতে চাই। ▬▬▬▬▬▬💠💠💠▬▬▬▬▬▬▬ উত্তর: শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে জুমু’আর খুতবা দেওয়ার সময় হাতে লাঠি অথবা এ জাতীয় কোনো কিছু যেমন ধনুক,তরবারি ইত্যাদি রাখা না রাখার বিষয়ে আহালুল আলেমগনের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে …

Read more

Share:

চার রাকাআত বিশিষ্ট সুন্নত সালাত কয় সালামে পড়া উত্তম

চার রাকআত বিশিষ্ট সুন্নাত সালাত এক সালামে অথবা দুই সালামে উভয় নিয়মেই পড়া যাবে।(নাসাঈ হা/৮৭৫; ইবনু মাজাহ হা/১৩২২ সিলসিলাহ সহীহাহ ১/৪৭৭,হা/ ২৩৭) তবে উত্তম হল দুই রাকাআত করে পড়া। ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, রাত ও দিনের সালাত দু দু রাকআত করে।(সহীহ বুখারী হা/ ৪৭২-৭৩, ৯৯১, ৯৯৩, ৯৯৫, ৯৯৮, ১১৩৭; …

Read more

Share:

যে কাজের মাধ্যমে নিজে নেকি অথবা গুনাহের ভাগীদার হওয়া যায়

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি হেদায়াত তথা সঠিক পথের দিকে ডাকে তাতে তার অনুসরণকারীদের যে সওয়াব মিলবে তারও সে পরিমাণ সওয়াব মিলবে। অনুসরণকারীদের সওয়াব তাতে কিছুই কমে যাবে না। আর যে ভুল পথের দিকে ডাকে তাতে তার অনুসরণকারীদের যে গুনাহ মিলবে তারও সে পরিমাণ গুনাহ মিলবে। অনুসরণকারীদের গুনাহ তাতে কিছুই …

Read more

Share:

একজন মুসলিম নিজেকে ইসলামী শিক্ষার উপর গড়ে তোলার পদ্ধতি

প্রশ্ন: একজন মুসলিম নিজেকে ইসলামী শিক্ষার উপর গড়ে তোলার পদ্ধতি কী? বিশেষতঃ তার নিজের মধ্যে এত এত কসুর আছে যা সম্পর্কে আল্লাহ্‌ই সম্যক অবগত? ▬▬▬▬▬▬▬▬❂▬▬▬▬▬▬▬▬▬ উত্তর: একজন ব্যক্তি নিজে নিজের কসুরগুলো উদঘাটন করতে পারা আত্মগঠনের প্রথম ধাপ।যে ব্যক্তি নিজের কসুর জানতে পারে; সে নিজেকে গঠনের পথে এগিয়ে আসে। এই জানা আমাদেরকে আত্মগঠনের দিকে ধাবিত করে …

Read more

Share:

ইয়াযীদ বিন মু‘আবিয়া কি সাহাবী ছিলেন নাকি তাবেঈ ছিলেন এবং উনার সম্পর্কে কেমন ধারণা পোষণ করতে হবে

প্রশ্ন: ইয়াযীদ বিন মু‘আবিয়া কি সাহাবী ছিলেন, নাকি তাবেঈ ছিলেন? কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার সাথে কি ইয়াযীদ সরাসরি জড়িত ছিলেন? ইয়াযীদ ইবনু মু‘আবিয়া সম্পর্কে কেমন ধারণা পোষণ করতে হবে? ▬▬▬▬▬▬▬▬❂▬▬▬▬▬▬▬▬ উত্তর: তার সম্পন্ন নাম হল ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান ইবনে হারব ইবনে উমাইয়া আল-উমাবি আল-দিমাশকি।তিনি সাহাবী ছিলেন না। বরং তিনি (২৭-৬৪ হিঃ) তাবেঈ ছিলেন। …

Read more

Share:

কাউকে আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ করা যাবেনা

প্রিয় পাঠক, বর্তমানে ওয়াজ মাহফিল বা জুমার খুতবায় কিছু তরুণ দ্বীনের দাঈগন-কে শরীয়তের হুকুম আহকাম সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ছাড়াই হুটহাট মুসলিমদেরকে গণহারে কাফের বা জাহান্নামী বলে আখ্যা দিতে দেখা যাচ্ছে যা মোটেও কাম্য নয়। দ্বীনি বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার পূর্বে তাদের উচিত আরো গভীরভাবে পড়াশোনা করা এবং সালাফদের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দেখা। হুটহাট ফাতওয়া দিয়ে মানুষকে …

Read more

Share:

দুজন ব্যক্তি সালাত শুরু করলে তৃতীয় একজন আসলে দাঁড়ানোর বিশুদ্ধ নিয়ম

ইমাম এবং একজন মুক্তাদী হলে জামাআত হবে। তখন ইমাম মুক্তাদী একই কাতারে দাঁড়াবে এক্ষেত্রে ইমাম বামে ও মুক্তাদী তার ডাইনে দাঁড়াবে। দলিল আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার খালা উম্মুল মু’মিনীন মায়মূনাহ্ (রাঃ)-এর ঘরে রাত্রে ছিলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাজ্জুদের সালাতের জন্যে দাঁড়ালেন। আমিও তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি …

Read more

Share:

কারবালার প্রকৃত ঘটনা কি এবং হুসাইন (রাঃ)-কে হত্যার জন্য কে দায়ী

ভূমিকা: ৬০ হিজরীতে ইরাকবাসীদের নিকট সংবাদ পৌঁছলো যে, হুসাইন (রাঃ) ইয়াযীদের হাতে বায়‘আত গ্রহণ করেননি।তারা তাঁর নিকট চিঠি-পত্র পাঠিয়ে জানিয়ে দিল যে ইরাক বাসীরা তাঁর হাতে খেলাফতের বয়াত করতে আগ্রহী। ইয়াজিদকে তারা সমর্থন করেন না বলেও সাফ জানিয়ে দিল। তারা আরও বলল যে, ইরাক বাসীরা ইয়াজিদের পিতা মুয়াবিয়া (রা:) এর প্রতিও মোটেই সন্তুষ্ট ছিলেন না …

Read more

Share:

ইমামের সাথে মাত্র একজন মুক্তাদী হলে সালাতে দাঁড়ানোর বিশুদ্ধ নিয়ম

যদি ইমামসহ দুজন ব্যক্তি অর্থাৎ ইমামের সাথে মাত্র একজন মুক্তাদী (পুরুষ বা শিশু) হলে উভয়ে একই সাথে এক কাতারে সমানভাবে দাঁড়াবে; এক্ষেত্রে ইমাম বামে এবং মুক্তাদী তার ডানে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে দাঁড়াবে, ইমামের সামনে বা তার পিছনে আগাপিছা হয়ে নয় এটাই সুন্নাহ এবং জমহুর আলেমগনের মত। কারন আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে …

Read more

Share:

মুহাররম মাসে প্রচলিত কিছু কুসংস্কার ও বিদ‘আত যা পরিত্যাগ করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য অপরিহার্য

ভূমিকা: আমরা গত পোস্টে আলোচনা করেছি আশুরাকে কেন্দ্র করে আমাদের একমাত্র করণীয় হল মূসা (আলাইহিস সালাম) এর মত আল্লাহ তা‘আলার শুকরিয়া স্বরূপ সিয়াম পালন করা আর সেটা মুহাররমের ৯ ও ১০ তারিখ অথবা ১০ ও ১১ তারিখ অথবা কমপক্ষে ১০ তারিখ। আশুরাকে কেন্দ্র করে এ ছাড়া আর কোন ধরনের আমল বা আচার-অনুষ্ঠান শরী‘আত সম্মত নয়। …

Read more

Share: