কারো নাম বিকৃত করে ডাকা কি ঠিক এবং কাউকে কিভাবে ইসলাহ বা ইলমি খন্ডন করা উচিত

প্রশ্ন: কারো নাম বিকৃত করে ডাকা কি ঠিক? একজন সালাফি মানহাজের আলেম বা দ্বীনি ভাইকে কিভাবে ইসলাহ বা ইলমি খন্ডন করা উচিত? ▬▬▬▬▬▬▬💠💠💠▬▬▬▬▬▬▬ ▪️প্রথমত: কষ্ট দেওয়া বা উপহাস করার উদ্দেশ্যে কাউকে মন্দ নামে ডাকা জায়েজ নয়। এটি কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। কারণ শরীয়তের দলিল মানুষকে মন্দ নামে ডাকতে নিষেধ করে। যেমন: মহান আল্লাহ বলেন; এবং তোমরা …

Read more

Share:

নারীদের ইদ্দত

প্রশ্ন: ইদ্দত কাকে বলে? স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী ইদ্দত পালনের সময়সীমা কতদিন? কোথায় তিনি ইদ্দিত পালন করবেন? ইদ্দতের সময় বিধবা নারী বাড়ির বাহিরে যেতে পারবে কি? ▬▬▬▬▬▬▬💠💠💠▬▬▬▬▬▬▬ উত্তর: ‘ইদ্দত’ শব্দটি আরবি (عدة)। আভিধানিক অর্থ হল গণনা করা বা গণনাকৃত। ইসলামী শরীয়াহ অনুসারে, মহিলাদের ইদ্দত হল কোন মহিলা তার স্বামী কর্তৃক সরাসরি তালাকপ্রাপ্তা হলে কিংবা খোলা …

Read more

Share:

মহান আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণ্য বিষয় হল তালাক এই হাদীসটি কি সহীহ এবং হাদীসটির সঠিক ব্যাখ্যা

হাদীসটি দুটি সনদে আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু)-এর সূত্রে বর্নিত হয়েছে। হাদীসটি হল: وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أَبْغَضُ الْحَلَالِ إِلَى اللَّهِ الطلاقُ ইবনু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলার কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট হালাল কার্য হলো তালাক।(আবু দাঊদহা/২১৭৮ ইবনু মাজাহ হা/ ২০১৮, আলবানী ইরওয়াউল …

Read more

Share:

স্বামীর অন্য স্ত্রীর মেয়ের জামাই কি মাহরাম

প্রশ্ন: আমার স্বামীর অন্য স্ত্রীর মেয়ের জামাই আমার মাহরাম হবে কি? আমি কি তার সাথে দেখা দিতে পারব বা হজ্জে যেতে পারব? ▬▬▬▬▬▬▬◖◉◗▬▬▬▬▬▬▬ উত্তর: আপনার স্বামীর অন্য স্ত্রীর মেয়ের জামাই আপনার মাহরাম পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত নয়। কাজেই তার সাথে পর্দা করতে হবে। কারন মহান আল্লাহ যাদেরকে মাহারাম হিসেবে গণ্য করেছেন তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত নন। মহান আল্লাহ …

Read more

Share:

আক্বীকার দিন গণনা শুরু করব কীভাবে

আক্বীকার দিন গণনা শুরু করব কীভাবে? ধরুন একটি শিশু বৃহস্পতিবার রাতে জন্মগ্রহন করল তাহলে তার আক্কীকা কোন দিন হবে? ▬▬▬▬▬▬▬◄❖►▬▬▬▬▬▬▬▬ ভূমিকা: ইসলামি শরীয়তের যেসব হুকুম আহকাম দিন-তারিখ,মাস অথবা বছরের সঙ্গে সম্পৃক্ত; সেগুলো চাঁদের হিসাবে গণনা করতে হয়। আক্বীকা ও তেমনি একটি শরীয় বিধান এটি সন্তান জন্মের সপ্তম দিন করতে হয়।কারন রাসূল ﷺ বলেছেন, প্রত্যেক শিশু …

Read more

Share:

আযল কি এবং ইসলামী শরীয়তে আযল অথবা জন্মনিয়ন্ত্রণের বিধান কি

ভূমিকা: আযল (العزل) শব্দের অর্থ হলো বিরত থাকা, আলাদা করা ইত্যাদি।যেমন আরবিতে বলা হয় –عَزَل الشَّيءَ عن غيره) সে একটি বস্তুকে অন্য বস্তু থেকে পৃথক করেছে। পরিভাষায়: আযল হল সহবাসের সময় পুরুষাঙ্গ স্ত্রীর গোপনাঙ্গের ভেতর থেকে বের করে নেওয়া যেন শুক্র স্ত্রী অঙ্গের ভেতরে স্খলিত হওয়ার পরিবর্তে বাইরে স্খলিত হয়। যার উদ্দেশ্য স্ত্রীকে গর্ভধারণ থেকে …

Read more

Share:

কুরবানীর পশুর সাথে আক্বীক্বা করার বিধান

প্রশ্ন: বর্তমানে অনেক যায়গায় কুরবানীর পশুর সাথে আক্বীক্বা করার প্রচলন দেখা যায়।ইসলামে এর কোন অনুমতি আছে কি? ▬▬▬▬▬▬▬💠💠💠▬▬▬▬▬▬▬ উত্তর: ইসলামী শরীয়তের একটি মূলনীতি যেমন: ইবাদত ছাড়া অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে সব কিছুই হালাল, যতক্ষণ কুরআন ও হাদীস থেকে হারাম হওয়ার দলীল পাওয়া না যাবে।তেমনি ইবাদতের ক্ষেত্রে মৌলিক নীতিমালার মূল হল যে সকল ইবাদতের কোন দলিল নেই …

Read more

Share:

স্ত্রী কি তার শ্বশুর শাশুড়ির সেবা করতে বাধ্য

একজন নারীর বিবাহের পূর্বে তার অভিবাবক হলেন তার পিতা। আর বিবাহের পর স্বামীই তার স্ত্রীর মূল অভিভাবক। কারন মহান আল্লাহ তাআলা পুরুষকে স্ত্রীর উপর দায়িত্ববান ও কর্তৃত্ব শীল হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। ইসলামি শরিয়তে স্ত্রীর জন্য তার স্বামী ছাড়া অন্য কারও সেবা করাকে ফরয করা হয় নি। স্বামীর পিতা-মাতা, ভাই-বোন বা অন্য কাররই নয়।মহান আল্লাহ বলেন,”পুরুষেরা …

Read more

Share:

স্ত্রীর মা অর্থাৎ শাশুড়ী কি স্বামীর জন্য মাহরাম যদিও স্ত্রী মারা যায় অথবা তাকে তালাক দেওয়া হয়

উত্তর: শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে যারা হারাম হয় তারা হল, চারটি: পিতার স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, স্ত্রীর মা অর্থাৎ শাশুড়ী এবং স্ত্রীর কন্যা অর্থাৎ মেয়ে। যাদেরকে মুহাররামাতে আবাদীয়া’ বা ‘চিরস্থায়ী হারাম বলা হয়। এইভাবে তারা পর্যায়ক্রমে যত আসবে সকলেই এই আওতায় পড়বে। সুতরাং যদি কোন মহিলাকে বিবাহ করার পরপরই সহবাস না করেই তালাক দিয়ে …

Read more

Share:

মেয়ের জামাই তার শাশুড়ীর সাথে যিনা করলে স্ত্রী কি তার জন্য হারাম হয়ে যাবে

উত্তর: যিনা-ব্যভিচার কাবীরা গুনাহগুলোর মধ্যে অন্যতম। মহান আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে বার বার এই জঘন্য কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেন, তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না, নিশ্চয় তা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট আচরণ।(সূরা বানী ইসরাঈল: ৩২; সূরা আন-নূর: ২)। ইসলামে ব্যভিচার যেহেতু বড়ই অপরাধমূলক কাজ; এত বড় অপরাধ যে, কোন বিবাহিত পুরুষ অথবা …

Read more

Share: