কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক বার্তা প্রচার করাই হল এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।।

আমরা কীভাবে কথা বলব, কীভাবে বেড়াতে যাবো, কীভাবে বাচ্চাদেরকে বিছানা দিব

আমরা কীভাবে কথা বলব, কীভাবে বেড়াতে যাবো, কীভাবে বাচ্চাদেরকে বিছানা দিবো — দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগে এমন সব খুঁটিনাটি সাধারণ ব্যাপারগুলো স্বয়ং আল্লাহ আমাদেরকে শিখিয়েছেন—

যে কোন মানুষের সাথে কথা বলার সময় ভদ্র, মার্জিত ভাবে কথা বলবে – ২:৮৩।
কোনো ভণিতা না করে, ধোঁকা না দিয়ে, যা বলতে চাও পরিস্কার করে বলবে – ৩৩:৭০।
চিৎকার করবে না, কর্কশ ভাবে কথা বলবে না, নম্র ভাবে কথা বলবে – ৩১:১৯।
মনের মধ্যে যা আছে সেটাই মুখে বলবে– ৩:১৬৭।
ফালতু কথা বলবে না এবং অন্যের ফালতু কথা শুনবে না। যারা ফালতু কথা বলে, অপ্রয়োজনীয় কাজ করে সময় নষ্ট করে তাদের কাছ থেকে সরে যাবে – ২৩:৩, ২৮:৫৫।
কাউকে নিয়ে উপহাস করবে না, টিটকারি দিবে না, ব্যঙ্গ করবে না – ৪৯:১০।
অন্যকে নিয়ে খারাপ কথা বলবে না, কারো মানহানি করবে না – ৪৯:১০।

Read moreআমরা কীভাবে কথা বলব, কীভাবে বেড়াতে যাবো, কীভাবে বাচ্চাদেরকে বিছানা দিব

Share This Post

ধূমপান করা কী হারাম না হালাল? আসুন জেনে নেই!

উত্তর: ডা. জাকির নায়েক: ধূমপানের কথা যদি বলতে হয়,অনেক বছর আগে যখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নত হয়নি বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞ সে সময় বলতেন যে ধূমপান মাকরূহ। একটা হাদীসের উপর ভিত্তি করে বলা যেটা আছে সহীহ বুখারীতে (খণ্ড নং–১,অধ্যায়–আযান,হাদীস নং–৮৫৫)

নবীজী (ﷺ) বলেছেন,“কখনোও কেউ যদি কাঁচা রসুন বা পেঁয়াজ খায় সে আমার কাছ থেকে,মসজিদ থেকে দূরে থাকবে।”

Read moreধূমপান করা কী হারাম না হালাল? আসুন জেনে নেই!

Share This Post

হাদীছের গল্প

আয়েশা (রাঃ)-এর প্রতি অপবাদের ঘটনা:-

কপটতা মানব মনের এক দুষ্টু ক্ষত। এর ফলে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি হয়। কখনো এর ফলে নিরপরাধ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুনাফিক্ব সরদার আব্দুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনে সুলূলের মুনাফিক্বীর শিকার হয়েছিলেন নবীপত্নী নিষ্কলুষ চরিত্রের অধিকারিণী মা আয়েশা (রাঃ)। যে কারণে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এক বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন। অবশেষে আল্লাহ তা‘আলা অহি-র মাধ্যমে আয়েশা (রাঃ)-এর পবিত্রতার কথা ঘোষণা করেন। আয়েশা (রাঃ)-এর প্রতি আরোপিত অপবাদ সম্পর্কেই আলোচ্য হাদীছ।-

Read moreহাদীছের গল্প

Share This Post

কি করে বুঝবেন লোকটি যাদুকর কিনা?

আজকাল অনেক প্রতারক ও ভন্ড পীর-ফকির, মাযারের খাদেম, হুজুর মাওলানা বা এমন ধর্মীয় লেবাস পড়া লোক বেড়িয়েছে, যারা দাড়ি-টুপি নিয়ে, লম্বা জোব্বা ও পাগড়ি পড়ে জিনে ধরা রোগীর চিকিৎসা করা, হারানো ব্যক্তি বা বস্তু খুঁজে বের করে দেওয়া, যেকোন বিপদ-আপদ ও রোগের চিকিৎসা দেওয়া, দাম্পত্য কলহ ও নানা সমস্যার সমাধান করে দেবে, তদবীর করে প্রেম-ভালোবাসা ভেঙ্গে বা গড়ে দেবে, চাকুরী, ব্যবসা বা বিয়ে ঠিক করে দেবে, জিনের বাদশাহ, পাথর দিয়ে ভাগ্য পরিবর্তন করে. . .ইত্যাদি কথা বলে ধর্মের নামে ব্যবসা খুলে বসে আছে। এমনকি এরা পত্রিকাতে, টিভিতে বিজ্ঞাপন দিয়ে, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে হাজার হাজার মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে। এদের অনেকে স্রেফ মিথ্যা কথা বলে মানুষের টাকা মেরে খাচ্ছে, আবার এদের মাঝে অনেকে আসলে যাদুকর, তন্ত্র-মন্ত্র ও জিনের কারসাজির মতো শিরকি-কুফুরী কথা ও কাজের সাথে জড়িত। সাধারণ মানুষ এদেরকে ‘আলেম’, ‘আল্লাহর ওয়ালী’, ‘কামেল ও বুজুর্গ’ লোক মনে করে সমস্যার সমাধান নিতে যাচ্ছে আর নিজের অজান্তে শিরকি ও কুফুরী কাজে লিপ্ত হয়ে ঈমান নষ্ট করছে।

Read moreকি করে বুঝবেন লোকটি যাদুকর কিনা?

Share This Post
Translate In English