আমি এটি করব এবং বাকিটা আল্লাহর হাতে এই বক্তব্য কতটুকু শরীয়ত সম্মত

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক আল্লাহর রসূল এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের উপর। আমি এটা ওটা করবো বাকিটা আল্লাহর হাতে এই বাক্যটি ব্যবহারের দুটি উদেশ্য হতে পারে। যার একটি বৈধ অপরটি অবৈধ। যেমন: (১). আমি অমুক-অমুক-কাজ করব, বাকিটা আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। এই বাক্যটি ব্যবহার করা সঠিক নয়। কারণ এক্ষেত্রে ব্যক্তি নিজের …

Read more

Share:

পবিত্র কুরআনুল কারীমকে আমরা যেমন আল্লাহর কালাম বলে বিশ্বাস করি অনুরূপভাবে হাদীসের ক্ষেত্রে আমাদের আক্বীদা কেমন হতে হবে

হাদীস (حَدِيْث) এর শাব্দিক অর্থ: নতুন, প্রাচীন ও পুরাতন এর বিপরীত বিষয়। এ অর্থে যে সব কথা, কাজ ও বস্ত্ত পূর্বে ছিল না, এখন অস্তিত্ব লাভ করেছে তাই হাদীস। এর আরেক অর্থ হল: কথা, বাণী, সংবাদ, বিষয়, অভিনব ব্যাপার ইত্যাদি। শারঈ পরিভাষায় নাবী কারীম (ﷺ) আল্লাহর রাসূল হিসেবে যা কিছু বলেছেন, যা কিছু করেছেন এবং …

Read more

Share:

ইলায়াসী তাবলীগ বনাম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তাবলীগ

(ক) তারা নিজেরা কুরআন বুঝে না অন্যদেরকেও বুঝতে দেয় না। কিন্তু রাসূল ﷺ নিজে কুরআন শিখিয়েছেন এবং তার প্রচারকও ছিলেন। (খ) তাদের দাওয়াতী নিয়ম স্বপ্নে প্রাপ্ত।(মালফূযাতে মাওলানা মুহাম্মাদ ইলিয়াস, পৃঃ ৫১ ) রাসূল ﷺ-এর দাওয়াতী নিয়ম স্বয়ং আল্লাহ প্রদত্ত (সূরা মায়েদা, ৫/ ৬৭)। (গ) তাদের দাওয়াতের মধ্যে সপ্তাহে ১ দিন, মাসে ৩ দিন, বছরে ১ …

Read more

Share:

আমরা ভাল-মন্দ করবো বলেই কি আল্লাহ তাকদীরে লিখে রেখেছেন

আমরা ভাল-মন্দ করবো বলেই কি আল্লাহ তাগদীরে লিখে রেখেছেন? নাকি আল্লাহ স্বীয় জ্ঞানে স্বাধীনভাবে তাকদ্বীর নির্ধারণ করেছেন। এই মাসয়ালার সঠিক আক্বীদা। ▬▬▬▬▬▬💠💠💠▬▬▬▬▬▬▬▬ ভূমিকা: আমরা ভাল-মন্দ করবো বলেই আল্লাহ লিখে রেখেছেন এই বাক্যের আরেকটি অর্থ হল আমরা দুনিয়াবী জীবনে কি করবো না করবো সেটা আল্লাহর কাছ থেকে চেয়ে নিয়েছি অর্থাৎ আমাদের চাওয়া অনুসারে আল্লাহ তাগদ্বীরে লিখেছেন …

Read more

Share:

পবিত্র কুরআনে তাওহীদ বিষয়ে নয়জন নবীর ভাষণ

(১) নবী নুহ আলাইহি সালাম:মহান আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয় আমি নুহকে তার সম্প্রদায়ের প্রতি পাঠিয়েছি। সে বলল: হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন উপাস্য নেই। আমি তোমাদের জন্যে একটি মহাদিবসের শাস্তির আশঙ্কা করি। [সুরা আরাফ, ৭:৫৯]। জবাবে তার সম্প্রদায় বলল: মহান আল্লাহ বলেন,“তার সম্প্রদায়ের সর্দাররা বলল: আমরা তোমাকে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতার মাঝে …

Read more

Share:

ওসিলা এর সঠিক অর্থ: বাঁচুন পীরপন্থী ও মাজারপূরজারীদের অপব্যাখ্যা থেকে

আল্লাহ তাআলা বলেন, يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَابْتَغُوٓا إِلَيْهِ الْوَسِيلَةَ وَجٰهِدُوا فِى سَبِيلِهِۦ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ “হে ঈমানদাগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, (আনুগত্য ও সন্তোষজনক আমলের মাধ্যমে) তাঁর নৈকট্য লাভের উপায় সন্ধান কর এবং তাঁর পথে জিহাদ কর, যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পার।” (সূরা মায়িদা: ৩৫) ❑ উক্ত আয়াতের তাফসির: আল্লাহ তাআলা মু’মিনদেরকে নির্দেশ …

Read more

Share:

আল কুরআনে তাওহীদ বিষয়ে নয়জন নবীর ভাষণ

হযরত নুহ আলাইহি সালাম “নিশ্চয় আমি নুহকে তার সম্প্রদায়ের প্রতি পাঠিয়েছি। সে বলল: হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন উপাস্য নেই। আমি তোমাদের জন্যে একটি মহাদিবসের শাস্তির আশঙ্কা করি। [সুরা আরাফ,৭:৫৯] জবাবে তার সম্প্রদায় বললঃ “তার সম্প্রদায়ের সর্দাররা বলল: আমরা তোমাকে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতার মাঝে দেখতে পাচ্ছি”। [সুরা আরাফ, ৭:৬০] হযরত হুদ আলাইহি সালাম “আদ …

Read more

Share:

কালেমা মেনে চলার শর্তাবলী

এক : কালেমা তাইয়েবার অর্থ জানা। অর্থাৎ এ কালেমার দুটো অংশ রয়েছে তা পরিপূর্ণভাবে জানা। সে দুটো অংশ হলো: ১.    কোন হক মা’বুদ নেই ২.    আল্লাহ ছাড়া (অর্থাৎ তিনিই শুধু মা’বুদ) দুই : কালেমা তাইয়েবার উপর বিশ্বাস স্থাপন করা। অর্থাৎ সর্ব-প্রকার সন্দেহ ও সংশয়মুক্ত পরিপূর্ণ বিশ্বাস থাকা। তিন : কালেমার উপর এমন একাগ্রতা ও নিষ্ঠা রাখা, যা সর্বপ্রকার শিরকের পরিপন্থী। চার : কালেমাকে …

Read more

Share:

বিজয় তো শুধুমাত্র আল্লাহর থেকেই আসে

বিজয় তো শুধুমাত্র আল্লাহর থেকেই আসে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেছেন, ‘‘…এবং বিজয় তো শুধুমাত্র আল্লাহর থেকেই আসে।’’ [সূরা আলি ইমরান ৩: ১২৬] এটি এমন একটি আয়াত যেখানে কঠোরতম এক সীমারেখার কথা স্মরণ করানো হয়েছে। এখানে ‘শুধুমাত্র আল্লাহর থেকেই’- কথাটির মাঝে একটি না-বোধক সুর আছে; অর্থাৎ এখানে সীমারেখা হলো যে, বিজয় অন্য কোন কারণে আসবে না; এটি শুধুমাত্র আল্লাহর তরফ থেকে আসবে, যিনি সুবহান (সুমহান), যার কোন শরীক …

Read more

Share:

জানি না আমার প্রতিপালক আকাশে আছেন নাকি পৃথিবীতে

আল্লাহ মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁর ইবাদত করার জন্য (যারিয়াত ৫৬)। আর ইবাদত কবুল হওয়ার অন্যতম দু’টি শর্ত হ’ল- (১) যাবতীয় ইবাদত শুধুমাত্র তাঁর জন্যই নিবেদিত হ’তে হবে। যেমন- সালাত, সিয়াম, হজ্জ-যাকাত, যবেহ, কুরবানী, ভয়-ভীতি, সাহায্য, চাওয়া-পাওয়া ইত্যাদি। (২) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অনুকরণ, অনুসরণ করতে হবে এবং তিনি যেভাবে ইবাদত করতে বলেছেন সেভাবেই তা সম্পাদন করতে হবে। উপরোক্ত শর্ত দু’টির …

Read more

Share: