কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক বার্তা প্রচার করাই হল এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।।

আল কুরআনে তাওহীদ বিষয়ে নয়জন নবীর ভাষণ

হযরত নুহ আলাইহি সালাম “নিশ্চয় আমি নুহকে তার সম্প্রদায়ের প্রতি পাঠিয়েছি। সে বলল: হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর। তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন উপাস্য নেই। আমি তোমাদের জন্যে একটি মহাদিবসের শাস্তির আশঙ্কা করি। [সুরা আরাফ,৭:৫৯] জবাবে তার সম্প্রদায় বললঃ “তার সম্প্রদায়ের সর্দাররা বলল: আমরা তোমাকে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতার মাঝে দেখতে পাচ্ছি”। [সুরা আরাফ, ৭:৬০] হযরত হুদ আলাইহি সালাম “আদ … Read more

কালেমা মেনে চলার শর্তাবলী

এক : কালেমা তাইয়েবার অর্থ জানা। অর্থাৎ এ কালেমার দুটো অংশ রয়েছে তা পরিপূর্ণভাবে জানা। সে দুটো অংশ হলো: ১.    কোন হক মা’বুদ নেই ২.    আল্লাহ ছাড়া (অর্থাৎ তিনিই শুধু মা’বুদ) দুই : কালেমা তাইয়েবার উপর বিশ্বাস স্থাপন করা। অর্থাৎ সর্ব-প্রকার সন্দেহ ও সংশয়মুক্ত পরিপূর্ণ বিশ্বাস থাকা। তিন : কালেমার উপর এমন একাগ্রতা ও নিষ্ঠা রাখা, যা সর্বপ্রকার শিরকের পরিপন্থী। চার : কালেমাকে … Read more

বিজয় তো শুধুমাত্র আল্লাহর থেকেই আসে

বিজয় তো শুধুমাত্র আল্লাহর থেকেই আসে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেছেন, ‘‘…এবং বিজয় তো শুধুমাত্র আল্লাহর থেকেই আসে।’’ [সূরা আলি ইমরান ৩: ১২৬] এটি এমন একটি আয়াত যেখানে কঠোরতম এক সীমারেখার কথা স্মরণ করানো হয়েছে। এখানে ‘শুধুমাত্র আল্লাহর থেকেই’- কথাটির মাঝে একটি না-বোধক সুর আছে; অর্থাৎ এখানে সীমারেখা হলো যে, বিজয় অন্য কোন কারণে আসবে না; এটি শুধুমাত্র আল্লাহর তরফ থেকে আসবে, যিনি সুবহান (সুমহান), যার কোন শরীক … Read more

জানি না আমার প্রতিপালক আকাশে আছেন নাকি পৃথিবীতে

আল্লাহ মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁর ইবাদত করার জন্য (যারিয়াত ৫৬)। আর ইবাদত কবুল হওয়ার অন্যতম দু’টি শর্ত হ’ল- (১) যাবতীয় ইবাদত শুধুমাত্র তাঁর জন্যই নিবেদিত হ’তে হবে। যেমন- সালাত, সিয়াম, হজ্জ-যাকাত, যবেহ, কুরবানী, ভয়-ভীতি, সাহায্য, চাওয়া-পাওয়া ইত্যাদি। (২) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অনুকরণ, অনুসরণ করতে হবে এবং তিনি যেভাবে ইবাদত করতে বলেছেন সেভাবেই তা সম্পাদন করতে হবে। উপরোক্ত শর্ত দু’টির … Read more

আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট

আল  অকীল   এ নামের অর্থ উকীল, কর্মবিধায়ক, তত্ত্বাবধায়ক। মহান আল্লাহ সবকিছুর সবারই উকীল। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ সর্বকিছুর স্রষ্টা এবং তিনি সবকিছুর দায়িত্ব গ্রহণ করেন’।[সূরা আয যুমার: ৬২] তিনি বলেন, অন্য কোন উকীল লাগবে না। কারণ তিনিই উকীল হিসাবে যথেষ্ট। ‘আর আল্লাহরই জন্যে সে সবকিছু যা কিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে। আল্লাহই যথেষ্ট কর্মবিধায়ক’। [সূরা আন নিসা :১৩২]   … Read more

আল্লাহ ছাড়া কেউ গায়েব জানে না এ কথা কতটুকু সত্য

আল্লাহ তায়ালার যে অর্থে عالم الغيب (নিজের থেকে নিজে সব কিছু জানেন) সে অর্থে কোন নবী, রাসূল, অলী, বুযুর্গعالم الغيب নন। তবে আল্লাহ তাআলা যাকে যতটুকু জানান, তিনি ততটুকুই জানেন। আর এভাবে যিনি জানেন তাকে পরিভাষায় عالم الغيب বলা হয় না। যখন নবী-রাসূলগণই عالم الغيب নন, তখন গণক, জ্যোতিষী, টিয়া পাখী ওয়ালা,জ্বীন-শয়তান বা কোন অলী-বুযুর্গ, কোন পীর ফকরি  হুজুর عالم الغيب হওয়ার বা গায়েব জানার প্রশ্নই আসে না। জাহিলী যুগে যেভাবে গণক, জ্যোতিষী এবং এক শ্রেণীর পীর-বুযুর্গ গায়েব … Read more

আল্লাহ ব্যতীত যে ব্যক্তি এলমে গায়েব জানে বলে দাবী করে

আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ “তিনি আলিমূল গায়েব (অদৃশ্যের জ্ঞানী) বস্তুতঃ তিনি স্বীয় গায়েবের (অদৃশ্য) বিষয় কারো কাছে প্রকাশ করেন না।” (আল জ্বিনঃ ২৬) আল্লাহতায়ালা আরও বলেনঃ“তাঁর কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। এ গুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানে না”।(সূরা, আনআম -৬:৫৯) সুতরাং عالم الغيب বা অদৃশ্যের জ্ঞানী একমাত্র আল্লাহই, এটা তাঁর একক ক্ষমতা। এখন কেউ যদি দাবী করে সে গায়েব জানে কিংবা দাবী না করেও যদি কেউ গায়েবের … Read more

বাক্যের মধ্যে ‘যদি’ ব্যবহার সংক্রান্ত আলোচনা

۞ আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছেন,”তারা বলে,‘যদি‘এ ব্যাপারে আমাদের করণীয় কিছু থাকতো,তাহলে আমরা এখানে নিহত হতাম না” (আল ইমরান . ১৫৪)  ۞ আল্লাহ তাআলা আরো এরশাদ করেছেন,­”যারা ঘরে বসে থেকে [যুদ্ধে না গিয়ে তাদের [যোদ্ধা] ভাইদেরকে বলে, আমাদের কথা মতো যদি তারা চলতো৷ তবে তারা নিহত হতো না৷ (আল–ইমরান . ১৬৮)  ۞ সহীহ বুখারীতে আয়েশা রা. হবে বর্ণিত আছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি … Read more

আক্বীদার স্পর্শকাতরতা এবং তা অনুধাবনে আমাদের অক্ষমতা

মূলঃ আব্দুর রাকীব বুখারী–মাদানী ডাউনলোড করে পড়ুন   আলহামদুলিল্লাহ, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আম্মা বাদ: সম্মানিত পাঠকমন্ডলী! মুসলিম জীবনে ‘আক্বীদা’ সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যার সারমর্ম হচ্ছে, দ্বীন ইসলামের এমন কিছু বিষয় যার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা জরুরি। অর্থাৎ ইসলামের বিশ্বাসগত বিষয়াদিকে আক্বীদা বলা হয়, যা মূলত: ছয়টি বিষয়ের সমষ্টিঃ  ১- মহান আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস। ২-মহান আল্লাহর … Read more

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ তথা ‘কালেমা ত্বাইয়েবা’ কি শির্ক

রচনা ও ভাষান্তরঃ আবূ মুবাশশির আহমাদ বিন আব্দুত তাওয়াব আনসারী (আহমাদুল্লাহ সৈয়দপুরী) ডাউনলোড করে পড়ুন   সম্পাদনাঃ আবু হিশাম মুহাম্মাদ ফুয়াদ প্রশ্নঃ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ’ তথা ‘কালেমা ত্বাইয়েবা’ বলা কি শির্ক? জবাব : না। এটা শির্ক নয়। বরং একটি তাওহীদী বাক্য। জ্ঞানের স্বল্পতার কারণে আমাদের অনেকেই এই বাক্যটিকে শির্ক রূপে অনুধাবন করেছেন যা দুঃখজনক। নিম্নে আমরা কতিপয় দলীল পেশ করলাম … Read more

তিনটি মূলনীতি – যা জানা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর একান্ত কর্তব্য

মূলনীতিগুলো হলো:- প্রত্যেকে, ১। রব বা পালন কর্তা সম্পর্কে জানা। ২। দীন সম্পর্কে জানা। ৩। নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে জানা। রব কে জানার পদ্ধতি : যদি প্রশ্ন করা হয়, তোমার রব বা পালনকর্তা কে? তখন উত্তরে বলবে, আমার রব হলেন আল্লাহ, যিনি আমাকে এবং সমস্ত সৃষ্টি জগতকে তার অনুগ্রহে লালন করছেন, তিনিই আমার … Read more

আকীদা ও বিশ্বাসের মূলকথা [ইমাম ইবনে আবী যায়দ আল কায়রাওয়ানী (মৃত্যু: ৩৮৭ হি:) কর্তৃক রচিত]

আকীদা ও বিশ্বাসের মূলকথা[ইমাম ইবনে আবী যায়দ আল কায়রাওয়ানী (মৃত্যু: ৩৮৭ হি:) কর্তৃক রচিত]▬▬▬➰▬▬▬ দীনের যে সকল বিষয় অন্তরে বিশ্বাস এবং মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক: 💠 আল্লাহর পরিচয়: ১) এ কথা অন্তরে বিশ্বাস করার পাশাপাশি মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক যে, আল্লাহই একমাত্র মাবুদ। তিনি ছাড়া সত্য কোন মাবুদ নাই। তার মত আর কেউ নাই। তার সমকক্ষ … Read more

নবী-রাসূল, অলী-আউলিয়া, বুজুর্গ, আলেম প্রমুখের নিকট কি শাফায়াত প্রার্থনা করা যায়

নবী-রাসূল, অলী-আউলিয়া, বুজুর্গ, আলেম প্রমুখের নিকট কি শাফায়াত প্রার্থনা করা যায়? অথবা তাদের অসীলায় কি আল্লাহর নিকট কোন কিছু চাওয়া জায়েজ আছে? ১ম প্রশ্ন: অনেকে বলে, আমরা অলী-আউলিয়া ও বুজুর্গ লোকদের নিকট বিপদাপদ থেকে উদ্ধার কামনা করি। তবে তাদের নিকট আমরা যা চাই তা হল কিয়ামতের দিন যেন তারা আল্লাহর দরবারে আমাদের জন্য শাফায়াত করে। … Read more

মসজিদে কবর থাকলে তাতে নামায আদায় করার হুকুম কি?

প্রশ্নঃ কোন মসিজদে কবর থাকলে সেখানে নামায আদায় করার হুকুম কি? উত্তরঃ কবর সংশ্লিষ্ট মসজিদে নামায আদায় করা দু’ভাগে বিভক্তঃ প্রথম প্রকারঃ প্রথমে কবর ছিল। পরবর্তীতে তাকে কেন্দ্র করে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ওয়াজিব হচ্ছে এই মসজিদ পরিত্যাগ করা; বরং মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা। যদি না করা হয় তবে মুসলিম শাসকের উপর আবশ্যক হচ্ছে উক্ত মসজিদ … Read more

Translate In English