প্রশ্ন: শার’ঈ দৃষ্টিকোণ থেকে একজন মুসলিমের উপর কী কী কারণে গোসল ওয়াজিব হয়?
▬▬▬▬▬▬▬▬✿▬▬▬▬▬▬▬▬
ভূমিকা: পরম করুণাময় অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ’র নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক মহান আল্লাহ’র জন্য। শতসহস্র দয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রাণাধিক প্রিয় নাবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’র প্রতি। অতঃপর গোসল ওয়াজিব হওয়ার কারণসমূহ নিয়ে আলেমদের মাঝে কিছু মতভেদ থাকলেও, প্রাধান্যপ্রাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য মত অনুযায়ী এর সংখ্যা ছয়টি। এ ছয়টির যেকোনো একটি সংঘটিত হলেই মুসলিম ব্যক্তির ওপর গোসল করা অপরিহার্য হয়ে পড়ে।
.
(১). বীর্য নির্গত হওয়া: এমনকি সেটা সহবাস ছাড়া হলেও:পুরুষ বা নারীর বীর্যের নিজস্ব স্থান থেকে বীর্য বের হওয়া। এটি দুই অবস্থায় হতে পারে: জাগ্রত অবস্থায় অথবা ঘুমন্ত অবস্থায়। যদি জাগ্রত অবস্থায় বীর্য বের হয়, তবে গোসল ওয়াজিব হওয়ার জন্য ‘তৃপ্তি’ বা ‘কামভাব’ থাকা শর্ত। যদি কোনো অসুস্থতার কারণে তৃপ্তি ছাড়াই বীর্য বের হয়, তবে গোসল ওয়াজিব হবে না। আর ঘুমন্ত অবস্থায় বীর্য বের হলে এটাকে ‘ইহতিলাম’ বা স্বপ্নদোষ বলা হয়। এ অবস্থায় শর্তহীনভাবে (কামভাব অনুভূত হোক বা না হোক) গোসল ওয়াজিব হবে। যেহেতু ঘুমন্ত অবস্থায় মানুষের বোধশক্তি থাকে না, তাই তৃপ্তি অনুভূত না হতে পারে। সুতরাং, ঘুম থেকে উঠে যদি কাপড়ে বীর্যের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে গোসল করতে হবে। আর যদি কেউ স্বপ্নে সহবাস করতে দেখে, কিন্তু ঘুম ভাঙার পর বীর্যের কোনো চিহ্ন না পায়, তবে তার ওপর গোসল ওয়াজিব হবে না।ইবনে কুদামা (রাহিমাহুল্লাহ) ‘আল-মুগনি’ গ্রন্থে বলেন:”যে ব্যক্তির স্বপ্নদোষ হওয়াটা সে জেনেছে, কিন্তু (পোশাকে) বীর্য পায়নি তার উপরে গোসল ফরয নয়। ইবনুল মুনযির বলেন: যত জন আলেমের অভিমত আমার মুখস্ত আছে তারা সকলে এই মতের উপর ইজমা করেছেন।উম্মে সালামা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, উম্মে সুলাইম (রাঃ) বললেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ্! কোন মহিলার যদি স্বপ্নদোষ হয় তাহলে কি তার উপর গোসল ফরয হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ; যদি পানি (বীর্য) দেখে।[সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম] এ হাদিস নির্দেশ করছে যে, যদি পানি (বীর্য) না দেখে তাহলে তার উপর গোসল ফরয নয়।[আল মুগনী থেকে সমাপ্ত]
.
আল-মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা-তে এসেছে:اتّفق الفقهاء على أنّ خروج المنيّ من موجبات الغسل، بل نقل النّوويّ الإجماع على ذلك، ولا فرق في ذلك بين الرّجل والمرأة في النّوم أو اليقظة، والأصل في ذلك حديث أبي سعيد الخدريّ رضي الله تعالى عنه أنّ النّبيّ صلى الله عليه وسلم قال: إنّما الماء من الماء رواه مسلم (343)، ومعناه – كما حكاه النّوويّ – يجب الغسل بالماء من إنزال الماء الدّافق وهو المنيّ “ফকীহরা একমত যে বীর্য নির্গত হওয়া গোসল ওয়াজিব হওয়ার অন্যতম কারণ। বরং ইমাম নববী এ ব্যাপারে ইজমা (ঐকমত্য) বর্ণনা করেছেন। এক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মাঝে কিংবা ঘুমন্ত অবস্থা বা জাগ্রত অবস্থার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এর সপক্ষে দলীল হচ্ছে আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীস, তিনি বর্ণনা করেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কেবল পানি (বীর্য) থেকে পানি (গোসল) (আবশ্যক) হয়।”[হাদীসটি মুসলিম হা/৩৪৩) বর্ণনা করেন] এর অর্থ হচ্ছে যেমনটি ইমাম নববী বর্ণনা করেছেন: সবেগে নির্গত পানি তথা বীর্যের কারণে গোসল আবশ্যক হয়।’(সমাপ্ত; আল-মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা; খণ্ড: ৩১; পৃষ্ঠা: ১৯৫)
.
(২). লিঙ্গাগ্র যৌনাঙ্গে প্রবেশ করানো: নারী-পুরুষের দুই লজ্জাস্থান মিলিত হয়ে পুরুষের লিঙ্গের অগ্রভাগ নারীর লিঙ্গের ভেতর অদৃশ্য হয়ে গেলেই গোসল আবশ্যক হবে; যদিও বীর্য নির্গত না হয়,তবুও স্ত্রী সহবাসের ক্ষেত্রে লিঙ্গাগ্র যোনিপথে প্রবেশ করালে গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। সহীহ মুসলিম ও অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যখন কেউ স্ত্রীর চার শাখার (হাত-পা) মাঝে বসলো এবং খতনা করা স্থান (লিঙ্গাগ্র) খতনা করা স্থানকে (যৌনিকে) স্পর্শ করলো, তখন গোসল ওয়াজিব হয়ে গেল।” অর্থাৎ প্রবেশ করানোর মাধ্যমেই স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ওপর গোসল ওয়াজিব হবে; বীর্যপাত হোক বা না হোক। এ বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের ইজমা (ঐক্যমত) রয়েছে।
.
(৩) ও (৪). হায়েয (ঋতুস্রাব) ও নিফাস (প্রসবোত্তর রক্তস্রাব): হায়েয বা নিফাস বন্ধ হওয়ার পর গোসল করা ওয়াজিব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমার ঋতুস্রাব শেষ হবে, তখন গোসল করো এবং নামাজ পড়ো।” আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন: “অতঃপর যখন তারা প্রকৃষ্টভাবে পবিত্র হবে” [সূরা বাকারা: ২২২] অর্থাৎ রক্ত বন্ধ হওয়ার পর গোসল করবে…”আল-মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা-তে এসেছে: ‘ফকীহরা একমত যে হায়েয ও নিফাস গোসল ওয়াজিবকারী বিষয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত। ইবনুল মুনযির ও ইবনে জারীর আত-ত্বাবারী ও অন্যান্যরা এ প্রসঙ্গে ইজমা তথা ঐকমত্য বর্ণনা করেছেন। হায়েযের ফলে গোসল ওয়াজিব হওয়ার দলীল হচ্ছে আল্লাহর বাণী:وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُواْ النِّسَاء فِي الْمَحِيضِ وَلاَ تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّىَ يَطْهُرْنَ فَإِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمُ اللّهُ“তারা তোমার কাছে হায়েয (মহিলাদের ঋতুস্রাব) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। তুমি বলো, সেটা কষ্টদায়ক (সঙ্গমের ক্ষেত্রে)। অতএব, হায়েযের সময়ে তোমরা নারীদেরকে পরিত্যাগ করো (হায়েযের স্থান পরিত্যাগ করো) এবং তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের কাছে যেয়ো না (তাদের সাথে সঙ্গম করো না)। যখন তারা পবিত্র হয়ে যাবে তখন আল্লাহ যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন সেভাবে তাদের কাছে যেতে পারবে (সঙ্গম করতে পারবে)।”[সূরা বাকারা: ২২২; আল-মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা: ৩১/২০৪)
.
(৫). কাফিরের ইসলাম গ্রহণ: একদল উলামায়ে কেরামের মতে, কোনো অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করলে তার ওপর গোসল করা ওয়াজিব। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকজন নও-মুসলিমকে গোসল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে অনেক আলেম মনে করেন এটি মুস্তাহাব (উত্তম); ওয়াজিব নয়। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক নতুন মুসলমানকে গোসল করার নির্দেশ দিতেন বলে প্রমাণিত নয়। তাই যে হাদিসে নির্দেশসূচক ক্রিয়া উদ্ধৃত হয়েছে সেই নির্দেশকে ‘মুস্তাহাব’ (উত্তমতা) অর্থে ব্যাখ্যা করা হবে। যাতে সবগুলো দলিলের মধ্যে সমন্বয় করা যায়। ইমাম ইবনে উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ ‘আশ-শারহুল মুমতি’; ১/৩৯৭) গ্রন্থে বলেন: ‘নিরাপদ মত হচ্ছে গোসল করা।”
.
আল-মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা-তে এসেছে:ذهب المالكيّة والحنابلة إلى أنّ إسلام الكافر موجب للغسل، فإذا أسلم الكافر وجب عليه أن يغتسل، لما روى أبو هريرة رضي الله عنه أنّ ثمامة بن أثال رضي الله عنه أسلم، فقال النّبيّ صلى الله عليه وسلم: اذهبوا به إلى حائط بني فلان فمروه أن يغتسل وعن ( قيس بن عاصم أنّه أسلم: فأمره النّبيّ صلى الله عليه وسلم أن يغتسل بماء وسدر)؛ ولأنّه لا يسلم غالباً من جنابة، فأقيمت المظنّة مقام الحقيقة كالنّوم والتقاء الختانين. وذهب الحنفية والشافعية إلى استحباب الغسل للكافر إذا أسلم وهو غير جنب؛ لأنه أسلم خلق كثير ولم يأمرهم النبي صلى الله عليه وسلم بالغسل، وإذا أسلم الكافر وهو جنب وجب عليه الغسل، قال النّوويّ: نصّ عليه الشّافعيّ، واتّفق عليه جماهير الأصحاب “
“মালেকী ও হাম্বলীরা মনে করেন যে কোন কাফেরের ইসলামগ্রহণ করা তার উপর গোসল করাকে ওয়াজিবকারী। তাই কোন কাফের ইসলাম গ্রহণ করলে তার উপর গোসল করা ওয়াজিব হয়ে যায়। এর দলীল হচ্ছে: আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: সুমামা ইবনে আসাল রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলাম গ্রহণ করার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ‘তোমরা তাকে নিয়ে অমুকের বাগানে গিয়ে তাকে গোসল করতে বলো।”কাইস ইবনে আসেম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি ইসলাম গ্রহণ করার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পানি এবং বরই পাতা দিয়ে গোসল করার নির্দেশ দেন।তাছাড়া কাফের অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপবিত্র (জুনুবী) অবস্থায় থাকে। তাই উক্ত সম্ভাবনাকে প্রকৃত অবস্থার স্থলে স্থান দেওয়া হয়েছ। যেমনিভাবে ঘুমের কারণে এবং দুই লজ্জাস্থান মিলিত হওয়ার কারণে গোসল আবশ্যক হয়।হানাফী ও শাফেয়ীরা মনে করেন যে কাফের ইসলাম গ্রহণ করলে এবং জুনুবী অবস্থায় না থাকলে তার জন্য গোসল করা মুস্তাহাব। কারণ এমন বহু মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে যাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোসলের নির্দেশ দেননি। তবে যদি কাফের জুনুবী অবস্থায় ইসলাম গ্রহণ করে তাহলে তার জন্য গোসল করা ওয়াজিব। ইমাম নববী বলেন: শাফেয়ী এমনটি বলেছেন আর তার অধিকাংশ সাথী এতে একমত পোষণ করেছেন।”(আল-মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা: ৩১/২০৫-২০৬)
(৬). মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া: কোনো মুসলিম মারা গেলে তাকে গোসল করানো (জীবিতদের ওপর) ওয়াজিব। তবে জিহাদের ময়দানের শহীদকে গোসল করানো যাবে না। দলিল হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেয়ে মারা যাওয়ার পরে তিনি বলেছেন: ‘তোমরা তাকে তিন বা পাঁচ বা এর চেয়ে বেশি বার গোসল করাও।’[হাদীসটি বুখারী হা/১২৫৩; ও মুসলিম হা/৯৩৯) বর্ণনা করেন; এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে দেখুন: ইমাম সালিহ আল-ফাওজান (হাফিযাহুল্লাহ) রচিত “আল-মুলাখখাস আল-ফিকহী” থেকে সংক্ষেপিত।
.
এছাড়াও জুমার দিন গোসল করা নিয়ে মতানৈক্য রয়েছে, কেউ মুস্তাহাব, কেউ সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ, কেউ ওয়াজিব বলেছেন। ইবনু দাক্বীকুল ঈদ বলেন, অধিকাংশ বিদ্বান ‘মুস্তাহাব’ বলেছেন। সাইয়েদ সাবেক্ব একে মুস্তাহাব গোসল সমূহের মধ্যে শামিল করেছেন (ফিক্বহুস সুন্নাহ ১/৫৩-৫৫)। এ ব্যাপারে ইমাম নববী ‘আল-মাজমূ’গ্রন্থে বলেন: ‘অধিকাংশের মতে এটি সুন্নাহ। সালাফদের কারো কারো মতে, এটি ওয়াজিব।”(আল-মাজমূ’ (২/২৩২)
.
রাসূল (ﷺ) বলেন, জুম‘আর দিনে প্রত্যেক সাবালকের জন্য গোসল করা ওয়াজিব’ (বুখারী হা/৮৭৯; মিশকাত হা/৫৩৮)। তিনি আরো বলেন, যে ব্যক্তি জুম‘আয় যাবে সে যেন গোসল করে (বুখারী হা/৮৮২; মুসলিম হা/৮৪৫)। তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুম‘আর দিন শুধু ওযূ করল সেটাই তার জন্য যথেষ্ট। আর যে ব্যক্তি গোসল করল, গোসল করাই উত্তম’ (তিরমিযী হা/৪৯৭; মিশকাত হা/৫৪০)। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, জুম‘আর দিন গোসল করা ওয়াজিব নয়; তবে উত্তম। তাতে গোসলকারীর অধিকতর পবিত্রতা অর্জিত হয়’ (আবু দাঊদ হা/৩৫৩; মিশকাত হা/৫৪৪)। উপরোক্ত হাদীছগুলি থেকে বুঝা যায় যে, জুম‘আর দিনে গোসল করা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। যে সকল হাদীছে ওয়াজিব শব্দটি এসেছে তার অর্থ ফরয নয় বরং গুরুত্ব বুঝানোর জন্য রাসূল (ﷺ) এরূপ শব্দ ব্যবহার করেছেন (শায়খ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া: ১০/১৭১)। এক্ষেত্রে সঠিক মত হচ্ছে শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যার বাছাইকৃত মত। ‘আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা’ গ্রন্থে তার বক্তব্য: ‘যার শরীরের ঘাম অথবা দুর্গন্ধ থেকে অন্য কেউ কষ্ট পায় তার জন্য জুমার দিনে গোসল করা ওয়াজিব।”(আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা’: ৫/৩০৭) আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন: ইসলাম সওয়াল-জবাব ফাতাওয়া নং-৯৩০২৭)। (আল্লাহই সবচেয়ে জ্ঞানী)।
▬▬▬▬▬▬✿▬▬▬▬▬▬
উপস্থাপনায়: জুয়েল মাহমুদ সালাফি।