ইলায়াসী তাবলীগ বনাম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তাবলীগ

(ক) তারা নিজেরা কুরআন বুঝে না অন্যদেরকেও বুঝতে দেয় না। কিন্তু রাসূল ﷺ নিজে কুরআন শিখিয়েছেন এবং তার প্রচারকও ছিলেন। (খ) তাদের দাওয়াতী নিয়ম স্বপ্নে প্রাপ্ত।(মালফূযাতে মাওলানা মুহাম্মাদ ইলিয়াস, পৃঃ ৫১ ) রাসূল ﷺ-এর দাওয়াতী নিয়ম স্বয়ং আল্লাহ প্রদত্ত (সূরা মায়েদা, ৫/ ৬৭)। (গ) তাদের দাওয়াতের মধ্যে সপ্তাহে ১ দিন, মাসে ৩ দিন, বছরে ১ …

Read more

Share:

পাত্র-পাত্রী দুজনের মধ্যে কারও যদি খারাপ অতীত থাকে তাহলে সেটি বলতে কি সে বাধ্য কিংবা বিয়ের পর সেটি জেনে গেলে করণীয় কি

ভূমিকা: মানুষের অন্তর মন্দপ্রবণ। আর যে কাজে তাকে নিষেধ করা হয়, সে কাজের প্রতি সে প্রলুব্ধ হয়। ফলে সে সর্বদা ছোট-বড় পাপ করতেই থাকে। মানুষ যেমন ভুলের উর্ধ্বে না, তেমন পাপেরও উর্ধ্বে না। প্রত্যেক ব্যক্তি ছোট-বড় কোন না কোন পাপের সাথে জড়িত। কারণ হলো, মানুষের ভেতর মানবিক দূর্বলতা সৃষ্টিগত। আমরা জানি হক্ব হলো দুই প্রকার: …

Read more

Share:

বিবাহের জন্য প্রস্তাবকৃত পাত্র/পাত্রী দ্বীনদার কিনা সেটি বুঝার উপায়

ভূমিকা: বিবাহ মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ। মহান আল্লাহ তায়ালা নারীর প্রতি পুরুষের তীব্র আকর্ষণ আর পুরুষের প্রতি নারীর তীব্র আকর্ষণ দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। নারী পুরুষ প্রত্যেকেই একে অপরের মুখাপেক্ষী। পুরুষ যেমন তার যৌন চাহিদা পূরণের জন্যে নারীর প্রতি মুখাপেক্ষী, অনুরূপ নারীও তার যৌন চাহিদা পূরণের জন্যে পুরুষের প্রতি মুখাপেক্ষী। উভয়ের এ চাহিদা পূরণের জন্যে …

Read more

Share:

কেমন মেয়ে বিয়ে করবেন এবং এ ব্যাপারে ইসলামী শরীয়তের নির্দেশনা

ভূমিকা: প্রত্যেকটি জিনিসের ভাল ও মন্দ গুণাগুণ রয়েছে। এই গুণাগুণগুলিকে সে জিনিসের বৈশিষ্ট্য বলা হয়। বিশ্ব প্রতিপালক আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু উত্তম আদর্শ রয়েছে। সেগুলিই হচ্ছে আদর্শ নারীর বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্যগুলি যে নারীর মধ্যে থাকবে সে-ই ইসলামের দৃষ্টিতে আদর্শ নারী বলে বিবেচিত হবে। অতএব, বিশ্বের মুসলিম নারীদের শিক্ষার …

Read more

Share:

বিবাহের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের মানদণ্ড

বিবাহের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের মানদণ্ড। অর্থাৎ বিবাহের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের কোন কোন গুণাবলী থাকা আবশ্যক। ▬▬▬▬▬▬▬💠💠💠▬▬▬▬▬▬▬ ইসলামি শরীয়তে পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্দেশনা হল: বিবাহের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম পাত্র ও পাত্রী উভয়ের ধার্মিকতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আল্লাহ বলেন, তোমরা মুশরিক মেয়েদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। নিশ্চয়ই একজন ঈমানদার মেয়ে মুশরিক মেয়ের চেয়ে উত্তম। যদিও …

Read more

Share:

ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে কাদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া অবৈধ বা হারাম

মহান আল্লাহ তায়ালা মুসলিমদের জন্য বিয়েকে হালাল করেছেন। সেই সঙ্গে জেনাকে হারাম করেছেন। পাপাচার থেকে মুক্ত হয়ে সুন্দরভাবে জীবন যাপন করার জন্য আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের উপর এ বিধান দিয়েছেন। এটা আল্লাহ তাআলার একটা গুরুত্বপূর্ণ নীতি।পবিত্র কুরআন মুসলমানদের জন্য রয়েছে পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। যাতে লিপিবদ্ধ রয়েছে মানুষের সব করনীয় তথা হালাল-হারাম, উচিত-অনুচিতসহ সব বিধি-বিধান। বিবাহের মাধ্যমে …

Read more

Share:

মানব জীবনে বিবাহের গুরুত্ব এবং বিবাহ করা সুন্নাত নাকি ফরয এবং কেউ জীবনে বিবাহ না করার সিদ্ধান্ত নিলে কি গুনাহ হবে

বিবাহের গুরুত্ব: মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করার সাথে সাথে তার জীবনধারণের জন্য কিছু চাহিদা দিয়েছেন এবং সেই চাহিদা মিটানোর পদ্ধতিও বলে দিয়েছেন। মানবজীবনে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ন্যায় জৈবিক চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ। এই চাহিদা পূরণের জন্য ইসলাম বিবাহের বিধান দিয়েছে। এজন্য প্রত্যেক অভিভাবককে তাদের অধীনস্থদের বিবাহের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে …

Read more

Share:

বমি করলে কি অযু ভঙ্গ হবে এবং এই বিষয়ে ইসলাম কি বলে

বমি করলে অযু ভঙ্গ হবে কিনা এটি নিয়ে আহালুল আলেমগনের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। ইমাম আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহ এবং ইমাম আহমেদ রাহিমাহুল্লাহ এর একটি মতে বমি করলে অযু ভঙ্গ হবে। তবে ইমাম আহমাদ এক্ষেত্রে শর্ত দিয়েছেন যে অত্যধিক বমি করলে অযু ভঙ্গ হবে কিন্তু অত্যধিক না হলে নয়, অপরদিকে ইমাম শাফেঈ ইমাম মালেক ও ইমাম আহমাদ …

Read more

Share:

পিতা-মাতা সন্তানের উপর অযথা যুলুম করলে এবং সেজন্য সন্তান পিতা-মাতার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলে সে সম্পর্কে ইসলামের বিধান

প্রথমতঃ সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার দায়িত্ব অত্যন্ত কঠিন এবং দীর্ঘমেয়াদী। আল্লাহ তাআলা পিতা-মাতা এবং সন্তান উভয়কে কতিপয় দায়িত্ব প্রদান করেছেন। তাদের জন্য সেসব দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করা ফরজ। এর ব্যাত্যয় ঘটলে আখিরাতে তাদের উভয়কে বিচারেরে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতে পারে। মাতৃগর্ভে সন্তানের সঞ্চারণ শুরু হবার সময় হতে বড় হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত সন্তানের প্রতি …

Read more

Share:

অমুসলিমদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা ও তাদের জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং ‘‘শান্তিতে থাকুন’’ (RIP: Rest in peace) ইত্যাদি বলার বিধান

ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামে মুসলিম-অমুসলিম যেকোন মানুষের মৃত্যু বা বিপদে দুঃখিত হওয়া এবং সমাবেদনা জানানোই মানুষের স্বাভাবিক কর্তব্য। তাই যদি কোনো অমুসলিম তথা কাফির ইসলামের সাথে শত্রুতা না করে নিরীহভাবে জীবনযাপন করে এবং এভাবেই মারা যায়, তবে তার ব্যাপারে মুমিনের মনে এজন্য দুঃখ আসবে যে, সে ঈমানহারা হয়ে কবরে চলে গেলো।সুতরাং মানুষ হিসাবে তার প্রতি …

Read more

Share: