ভূমিকা: মানুষের জীবন কখনো সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে ভরে ওঠে, আবার কখনো হঠাৎ নেমে আসে দুঃখ, দুশ্চিন্তা, বিপদ ও মুসিবতের ঘনঘটা। কখনো এমন পরিস্থিতিও আসে, যখন চারপাশের সব দরজা বন্ধ মনে হয় এবং মানুষ নিজেকে একেবারে অসহায় মনে করতে থাকে। কিন্তু একজন মুমিনের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। সে জানে—এই পৃথিবী পরীক্ষা ও পরীক্ষণের স্থান; আর কোনো বিপদই আল্লাহর জ্ঞান, ইচ্ছা ও হিকমতের বাইরে নয়।তাই বিপদের সময় ভেঙে পড়া নয়; বরং নিজের অন্তরকে আল্লাহর সঙ্গে আরও দৃঢ়ভাবে সম্পৃক্ত করা, তাঁর ওপর তাওয়াক্কুল করা, তাঁর ফয়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকা এবং তাঁর রহমত ও সাহায্যের ব্যাপারে আশাবাদী থাকা জরুরি। বিপদ যত বড়ই হোক, আল্লাহ তার চেয়েও মহান; সংকট যত কঠিনই হোক, আল্লাহর কাছে তার সমাধান তত কঠিন নয়। নিচে বিপদ-মুসিবতের সময় একজন মুমিনের জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি তুলে ধরা হলো।
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
পরিশেষে হে আমাদের পাঠক! মনে রাখবেন, বিপদ আপনার জীবনের শেষ অধ্যায় নয়; অনেক সময় সেটিই আল্লাহর দিকে ফিরে আসার নতুন সূচনা। যে কষ্ট আজ আপনাকে কাঁদাচ্ছে, হয়তো সেটিই আপনাকে আপনার রবের আরও নিকটবর্তী করবে। তাই দুঃসময়ে হতাশ হবেন না, নিজের দুর্বলতার দিকে নয় বরং আল্লাহর অসীম ক্ষমতা, রহমত ও হিকমতের দিকে তাকান।আপনি জানেন না আগামী মুহূর্তে কীভাবে আপনার সংকটের সমাধান হবে; কিন্তু আপনার রব জানেন। আপনি জানেন না কোন দরজা দিয়ে মুক্তি আসবে; কিন্তু আল্লাহ জানেন কোন দরজা আপনার জন্য খুলতে হবে। অতএব, সবর করুন, দোয়া করুন, সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চান এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল রাখুন।যিনি বিপদ দিয়েছেন, তিনিই তা দূর করার ক্ষমতা রাখেন; যিনি পরীক্ষা নিয়েছেন, তিনিই তার উত্তম পরিণতি দান করতে পারেন। তাই বিপদের অন্ধকারে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবেন না।আল্লাহ আমাদের সকল বিপদ-মুসিবত থেকে হেফাজত করুন, পরীক্ষার সময়ে আমাদের সবর ও তাওয়াক্কুল দান করুন, আমাদের অন্তরকে তাঁর ওপর অবিচল রাখুন এবং প্রতিটি কষ্টের পর আমাদের জন্য কল্যাণ ও প্রশান্তি নির্ধারণ করুন। আমীন।
▬▬▬▬▬◄❖►▬▬▬▬▬
উপস্থাপনায়: জুয়েল মাহমুদ সালাফি।
উপস্থাপনায়: জুয়েল মাহমুদ সালাফি।