কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক বার্তা প্রচার করাই হল এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।।

রোযা রেখে হারাম বা অশ্লীল কথাবার্তা উচ্চারণ করলে কি ছিয়াম নষ্ট হবে?

উত্তরঃ আমরা আল্লাহ্‌ তা’আলার নিম্ন লিখিত আয়াত পাঠ করলেই জানতে পারি ছিয়াম ফরয হওয়ার হিকমত কি? আর তা হচ্ছে তাক্বওয়া বা আল্লাহ্‌ ভীতি অর্জন করা ও আল্লাহ্‌র ইবাদত করা। আল্লাহ্‌ বলেন, ]يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمْ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ[ হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর ছিয়াম ফরয করা হয়েছে, যেমন ফরয … Read more

এক ব্যক্তি ঘুম থেকে উঠে সেহেরী খেল। অতঃপর জানতে পারল যে, তাঁর খাওয়াটা ফজরের আযানের পর হয়েছে

প্রশ্নঃ এক ব্যক্তি ঘুম থেকে উঠে সেহেরী খেল। অতঃপর জানতে পারল যে, তাঁর খাওয়াটা ফজরের আযানের পর হয়েছে। সুতরাং তাঁর রোযা কি শুদ্ধ হবে? উত্তরঃ আযান সঠিক সময়ে হয়ে থাকলে এবং সে আযান হয়ে গেছে—এ কথা না জানলে তাঁর রোযা শুদ্ধ। কারণ অজান্তে বা ভুলে অনিচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করে ফেললে রোযার ক্ষতি হয় না। মহানবী (সঃ) … Read more

সন্তানকে দুগ্ধদানকারীনী কি রোযা ভঙ্গ করতে পারবে? ভঙ্গ করলে কিভাবে কাযা আদায় করবে? নাকি রোযার বিনিময়ে খাদ্য দান করবে?

উত্তরঃ ===== দুগ্ধদানকারীনী রোযা রাখার কারণে যদি সন্তানের জীবনের আশংকা করে অর্থাৎ রোযা রাখলে স্তনে দুধ কমে যাবে ফলে শিশু ক্ষতিগ্রস্থ হবে, তবে মায়ের রোযা ভঙ্গ করা জায়েয। কিন্তু পরবর্তীতে তার কাযা আদায় করে নিবে। কেননা এ অবস্থায় সে অসুস্থ ব্যক্তির অনুরূপ। যার সম্পর্কে আল্লাহ্‌ বলেন, وَمَنْ كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ … Read more

ফজর উদয় হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ হলে

ফজর উদয় হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ হলে রোযাদার ততক্ষণ পর্যন্ত পানাহার করতে পারে, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে ফজর উদয় হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে। আর সন্দেহের উপর পানাহার বন্ধ করবে না। যেহেতু মহান আল্লাহ পানাহার বন্ধ করার শেষ সময় নির্ধারিত করেছেন নিশ্চিত ও স্পষ্ট ফজরকে; সন্দিগ্ধ ও অস্পষ্ট ফজরকে নয়। তিনি বলেছেন, {وَكُلُوْا وَاشْرَبُوْا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ … Read more

যদি কেউ রমযানের দিনের বেলা ইচ্ছা করে বীর্যপাত করে তাহলে তার করণীয় কি? তাকে কি এ দিনের সাওমের কাযা আদায় করতে হবে? যদি কাযা আদায় করার দরকার হয় কিন্তু সে পরবর্তী রমযান আসার আগেও কাযা আদায় করল না তাহলে তার হুকুম কী?

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী প্রথমত: নিজ স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোনো ভাবে বীর্যপাত করা হারাম। আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন বলেন, ﴿وَٱلَّذِينَ هُمۡ لِفُرُوجِهِمۡ حَٰفِظُونَ ٥ إِلَّا عَلَىٰٓ أَزۡوَٰجِهِمۡ أَوۡ مَا مَلَكَتۡ أَيۡمَٰنُهُمۡ فَإِنَّهُمۡ غَيۡرُ مَلُومِينَ ٦ فَمَنِ ٱبۡتَغَىٰ وَرَآءَ ذَٰلِكَ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡعَادُونَ ٧﴾ [المؤمنون: ٥،  ٧] “(মুমিন তারা) যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। নিজেদের স্ত্রী অথবা … Read more

শাউওয়াল মাসের সিয়াম সম্পর্কে ২০টি মাস‘আলা

*শাউওয়াল মাসের সিয়াম সম্পর্কে ২০টি মাস‘আলা* ?????????????? *১. শাউওয়ালের ছয় সিয়ামের ফযীলত কী?* ইবন উসাইমীন বলেন: “রমযানের সিয়ামের পর শাউওয়ালের ছয় সিয়াম পূর্ণ বছর সিয়ামের সমান”। ফতোয়া: (২০/১৭) (দলীলের জন্য মুসলিমের হাদীস দেখুন)। *২. শাউওয়ালের ছয়টি সিয়াম কি নারী-পুরুষ সবার জন্যই সমান?* ইবন উসাইমীন বলেন: “নারী-পুরুষ সবার জন্যই সমান”। ফতোয়া: (২০/১৭) *৩. শাউওয়ালের ছয় সিয়াম … Read more

জনৈক নারী শাওয়ালের চারটি রোজা রাখার পর মাসের শেষ দিকে তার হায়েয শুরু হয়ে গেছে। তাই তিনি ছয় রোজা শেষ করতে পারেননি; দুইদিন বাকী ছিল। শাওয়াল মাস চলে যাওয়ার পর তিনি কি এ রোজাগুলো রাখতে পারবেন?

জনৈক নারী শাওয়ালের চারটি রোজা রাখার পর মাসের শেষ দিকে তার হায়েয শুরু হয়ে গেছে। তাই তিনি ছয় রোজা শেষ করতে পারেননি; দুইদিন বাকী ছিল। শাওয়াল মাস চলে যাওয়ার পর তিনি কি এ রোজাগুলো রাখতে পারবেন? উত্তর:আলহামদুলিল্লাহ। ইমাম মুসলিম আবু আইয়ুব আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি … Read more

ছিয়াম অবস্থায় গান শোনা, মিথ্যা কথা বলা, মেয়েদের দিকে কুদৃষ্টি দেওয়া প্রভৃতি পাপ কাজ করলে ছিয়াম বাতিল হয়ে যাবে। উক্ত বক্তব্যটি কি সঠিক?

প্রশ্ন : ছিয়াম অবস্থায় গান শোনা, মিথ্যা কথা বলা, মেয়েদের দিকে কুদৃষ্টি দেওয়া প্রভৃতি পাপ কাজ করলে ছিয়াম বাতিল হয়ে যাবে। উক্ত বক্তব্যটি কি সঠিক? – ✔★ উত্তর : কেবল সারাদিন পানাহার ও যৌন সম্ভোগ থেকে বিরত থাকার নাম ছিয়াম নয়। বরং ছিয়াম সাধনা হচ্ছে পানাহার থেকে বিরত থাকার সাথে সাথে সকল প্রকার মিথ্যা থেকে … Read more

রোজাদার ভুলক্রমে পানাহার করলে তার ছিয়ামের বিধান কি? কেউ এটা দেখলে তার করণীয় কি

রোজাদার ভুলক্রমে পানাহার করলে তার ছিয়ামের বিধান কি? কেউ এটা দেখলে তার করণীয় কি? ■উত্তরঃ ===== রামাযানের রোযা রেখে কেউ যদি ভুলক্রমে খানা-পিনা করে তবে তার ছিয়াম বিশুদ্ধ। তবে স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে বিরত হওয়া ওয়াজিব। এমনকি খাদ্য বা পানীয় যদি মুখের মধ্যে থাকে এবং স্মরণ হয়, তবে তা ফেলে দেয়া ওয়াজিব। ছিয়াম বিশুদ্ধ হওয়ার … Read more

যে সব কারণে রোযা নষ্ট বা বাতিল হয়না

যে সব কারণে রোযা নষ্ট বা বাতিল হয়না – Shaykh Mohammad Saiful Islam ________________________________ ১. ভূলে কোন কিছু পানাহার করলে বা কেউ জোর-জবরদস্তি করে পানাহার করালে। ২. অনিচ্ছা বশতঃ বমি হলে, অর্থাৎ কোন কারণে হটাৎ অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে। ৩. স্বপ্নদোষ হলে। ৪. রোগের কারণে উত্তেজনা ব্যতীত বীর্য নির্গত হলে। ৫. পরীক্ষা করার জন্য শরীর থেকে … Read more

রোজাদার ভুলক্রমে পানাহার করলে তার ছিয়ামের বিধান কি? কেউ এটা দেখলে তার করণীয় কি

প্রশ্নঃ রোজাদার ভুলক্রমে পানাহার করলে তার ছিয়ামের বিধান কি? কেউ এটা দেখলে তার করণীয় কি? ■উত্তরঃ ===== রামাযানের রোযা রেখে কেউ যদি ভুলক্রমে খানা-পিনা করে তবে তার ছিয়াম বিশুদ্ধ। তবে স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে বিরত হওয়া ওয়াজিব। এমনকি খাদ্য বা পানীয় যদি মুখের মধ্যে থাকে এবং স্মরণ হয়, তবে তা ফেলে দেয়া ওয়াজিব। ছিয়াম বিশুদ্ধ … Read more

ঋতুবতী বালিকার সিয়াম পালনের ফতোয়া

ঋতুবতী বালিকার সিয়াম পালনের ফতোয়া ================================= প্রশ্নঃ জনৈক বালিকা ছোট বয়সে ঋতুবতী হয়ে গেছে। সে অজ্ঞতা বশতঃ ঋতুর দিনগুলোতে রোযা পালন করেছে। এখন তার করণীয় কি? ■উত্তরঃ ====== তার উপর আবশ্যক হচ্ছে, ঋতু অবস্থায় যে কয়দিনের ছিয়াম আদায় করেছে সেগুলোর কাযা আদায় করা। কেননা ঋতু অবস্থায় ছিয়াম পালন করলে বিশুদ্ধ হবে না এবং গ্রহণীয় হবে … Read more

কাজের বা পরীক্ষার কষ্টের কারণে রোযা ছাড়া যাবে কি?

কাজের কষ্টের কারণে রোযা ছাড়া যাবে কি? উত্তরঃ এ সম্পর্কে ফতোয়া বিষয়ক সউদী স্থায়ী উলামা পরিষদকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা উত্তরে বলেনঃ যার প্রতি রোযা ফরয সে এই কারণে রোযার দিনে রোযা ছাড়তে পারে না যে, সে শ্রমিক। কিন্তু রোযা অবস্থায় কাজের সময় যদি তার দারুণ কষ্ট হয়, যার ফলে তাকে ইফতার করতে বাধ্য হতে … Read more

রোযাদারের নাকে, কানে ও চোখে ড্রপ ব্যবহার করার বিধান কি?

প্রশ্নঃ রোযাদারের নাকে, কানে ও চোখে ড্রপ ব্যবহার করার বিধান কি? ——————————– উত্তরঃ নাকের ড্রপ ব্যবহার করলে যদি তা পেটে পৌঁছে তবে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। কেননা লাক্বীত বিন সাবুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেন, وَبَالِغْ فِي الِاسْتِنْشَاقِ إِلَّا أَنْ تَكُونَ صَائِمًا ছিয়াম অবস্থায় না থাকলে ওযুর ক্ষেত্রে নাকে … Read more

Translate In English