কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক বার্তা প্রচার করাই হল এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।।

পর্ন ফিল্মের আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়

ইন্টারনেটে বিশ্বে যত বিষয় সার্চ করা হয়, তার মধ্যে প্রথম সারিতেই রয়েছে পর্নোগ্রাফি। ইন্টারনেট সাধ্যের মধ্যে আসার পর যেমন জ্ঞান ও বিনোদনের দিগন্ত খুলে দিয়েছে, তেমনই পর্নোগ্রাফিকে এনে দিয়েছে নাগালের মধ্যে। পর্ণফিল্ম দেখা ক্ষতিকর নয়। কিন্তু প্রতিনিয়ত পর্ন ফিল্ম দেখতে দেখতে পর্নোগ্রাফিতে প্রবল ভাবে আসক্ত হয়ে পড়েন তাঁরা। বহু মানুষের কাছেই তা নেশার পর্যায় পৌঁছে যায়।  এর ফলে নানা রকম মানসিক সমস্যাও দেখা দেয়।

মাত্র চারটি উপায়েই পর্ন ফিল্মে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। পাঠকরা ও যদি কোনও প্রিয়জনের পর্ণফিল্মে অতিরিক্ত আসক্তি কাটাতে চান, তাহলে পর্ন ফিল্মের আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় হিসাবে এই চার উপায় ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

১. পর্ন ফিল্মে আসক্তি কমাতে নিজেই একদিন প্রতিজ্ঞা করে ফেলুন, আজ দেখব না। একবার ভাবুন পর্ণফিল্মের অতিরিক্ত আসক্তি কী ভাবে আপনার পেশা ও সামাজিক জীবনে কুপ্রভাব ফেলছে। পর্ন ফিল্মের আসক্তি কি আপনাকে অসামাজিক করে তুলছে? জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলি উপভোগ করতে পারছেন না? এই প্রশ্নগুলি নিজেকে করুন। উত্তরও নিজেই খুঁজে পাবেন। দেখবেন, আসক্তি কেটে গিয়েছে।

২. কোনও কাজ না থাকলেই পর্ন ফিল্ম দেখার ইচ্ছে বাড়ে। অর্থাৎ‌ ব্যস্ততা না-থাকাই পর্নফিল্মে আসক্তি বাড়ার অন্যতম কারণ। তাই তাঁদের পরামর্শ, চেষ্টা করুন অন্যান্য কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে। একা একা কম্পিউটারের সামনে বিনিদ্র রাত কাটানোর অভ্যেস বন্ধ করুন। সে রকম হলে, বিছানায় চলে যান, ঠিক সময়ে ঘুম আসবে। ঘুম না এলে কোনও সিনেমা দেখুন বা বই পড়ুন। পর্ন ফিল্মের আসক্তি ধীরে ধীরে কেটে যাবে।

৩. কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের অ্যাডাল্ট কনটেন্ট মুছে ফেলুন। এটা একটি ভাল পর্ন ফিল্মের আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় ।  প্রত্যেক পর্ন ফিল্ম আসক্ত ব্যক্তিই পর্ন ভিডিও জমিয়ে রাখেন। এমন কোনও সফটওয়্যার ব্যবহার করুন, যা পর্নোসাইট ব্লক করে দেয়। কিংবা ব্রাউসার হিস্ট্রি ক্লিয়ার করে দিন। দেখবেন সুফলটা হাতেনাতে পাবেন।

৪. যাঁরা বাড়িতে বেশি সময় কম্পিউটারে বসে সময় কাটান, তাঁদের মধ্যে পর্ন ফিল্ম দেখার প্রবণতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। শুধুই কম্পিউটারে সময় কাটানো অভ্যাসে পরিণত করবেন না।  তাই শখ করে পর্ন ফিল্ম না দেখে অন্য কোনও শখে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। যদি কোনও কাজ না থাকে, বই পড়া অভ্যাস করে ফেলতে পারেন। কোনও লাইব্রেরির সদস্য হয়ে যান। দেখবেন ব্যক্তিত্বে অসাধারণ পরিবর্তন আসবে।

Share This Post
Translate In English